ধর্ম ডেস্ক
নামাজ আদায়ের অন্যতম শর্ত হলো পবিত্রতা। তাই নামাজের আগে শরীর ও পোশাককে অপবিত্রতা থেকে মুক্ত রাখার পাশাপাশি শরিয়তসম্মত পবিত্রতা অর্জন করা জরুরি। সাধারণভাবে অজু নামাজের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অজুর মাধ্যমে শরীরের যেসব অঙ্গ সাধারণত ধুলাবালি ও ময়লার সংস্পর্শে আসে, সেগুলো পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে অজু একজন মুসলিমকে দৈনন্দিন ব্যস্ততা থেকে কিছু সময়ের জন্য আলাদা হয়ে ইবাদতের প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করে। এতে মন সতেজ হয় এবং পবিত্রতার অনুভূতি তৈরি হয়।
অজু সম্পর্কে কোরআনের নির্দেশনা
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন—
“হে মুমিনরা, যখন তোমরা নামাজের জন্য প্রস্তুত হবে, তখন তোমাদের মুখমণ্ডল এবং কনুই পর্যন্ত হাত ধুয়ে নাও। মাথা মাসেহ করো এবং টাখনু পর্যন্ত পা ধুয়ে নাও...”
এ নির্দেশনা রয়েছে সুরা আল-মায়েদার ৬ নম্বর আয়াতে। একই আয়াতে পানি না পাওয়ার মতো পরিস্থিতিতে তায়াম্মুমের বিধানও উল্লেখ করা হয়েছে।
অজু করার আগে নিয়ত
মুসলিমরা ইবাদত করার আগে নিয়ত করেন। তাই অজুর শুরুতে নামাজের জন্য এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পবিত্রতা অর্জনের নিয়ত করা হয়। এরপর ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ পড়া হয়।
অজু করতে অতিরিক্ত পানি অপচয় করার প্রয়োজন নেই। অল্প পরিমাণ পানি ব্যবহার করেই নিয়ম অনুযায়ী অজু সম্পন্ন করা যায়।
অজু করার নিয়ম
অজু শেষে দোয়া
অজু শেষ করার পর নিচের দোয়াটি পড়া মুস্তাহাব—
আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু।
অজু সম্পন্ন করার পর দুই রাকাত নামাজ পড়াও মুস্তাহাব। অজুর মাধ্যমে একজন মুসলিম নামাজের জন্য বাহ্যিক পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি ইবাদতের মানসিক প্রস্তুতিও গ্রহণ করেন।