আজকের তারিখঃ 27 অক্টোবর, 2026 সময়ঃ 3:49
লগইন
9+
অনলাইন সংস্করণ 2 মিনিটে পড়ুন ARTICLE

বিবাহিত ও অবিবাহিত ব্যক্তি জিনায় জড়ালে ইসলামে কী শাস্তির বিধান

Front line Bangladesh 22 Oct, 2026 • 06:41 PM
ছবির ক্যাপশন: বিবাহিত ও অবিবাহিত ব্যক্তি জিনায় জড়ালে ইসলামে কী শাস্তির বিধান

ইসলাম ডেস্ক

জিনা বা ব্যভিচার ইসলামের দৃষ্টিতে গুরুতর পাপ এবং কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। পবিত্র কোরআনে এ কাজ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে জিনার শাস্তি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যক্তির বৈবাহিক অবস্থা, শরিয়তসম্মত প্রমাণ এবং বিচারিক প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আর তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয়ই এটি অশ্লীল কাজ ও মন্দ পথ।” (সুরা আল-ইসরা, আয়াত: ৩২)

সুরা আন-নূরের ২ নম্বর আয়াতে ব্যভিচারী নারী ও পুরুষের প্রত্যেকের জন্য ১০০ বেত্রাঘাতের বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। ইসলামী ফিকহে অবিবাহিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই বিধান এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী বিবাহিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে রজমের বিধান নিয়ে আলোচনা রয়েছে।

অবিবাহিত ব্যক্তির শাস্তি কী?

সুরা আন-নূরের ২ নম্বর আয়াত অনুযায়ী, জিনায় দোষী অবিবাহিত নারী ও পুরুষের জন্য ১০০ বেত্রাঘাতের বিধান রয়েছে। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই তাকে অপরাধী গণ্য করা যায় না। অপরাধ প্রমাণের জন্য শরিয়তসম্মত প্রমাণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

বিবাহিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে কী বিধান?

প্রচলিত ধ্রুপদি ইসলামী ফিকহে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী বিবাহিত ব্যক্তির জিনার শাস্তি হিসেবে রজমের বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিধানের ভিত্তি হিসেবে হাদিস ও ইসলামী আইনশাস্ত্রের বিভিন্ন বর্ণনা ও ব্যাখ্যা আলোচিত হয়।

তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বিধান, প্রযোজ্য শর্ত এবং প্রমাণের মানদণ্ড নিয়ে ফিকহি আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই কেবল বৈবাহিক অবস্থা দেখে কাউকে অপরাধী ঘোষণা বা শাস্তি দেওয়ার সুযোগ নেই।

একজন বিবাহিত, অন্যজন অবিবাহিত হলে?

ধ্রুপদি ইসলামী ফিকহের আলোচনায় প্রত্যেক ব্যক্তির নিজস্ব বৈবাহিক অবস্থা ও সংশ্লিষ্ট শর্ত অনুযায়ী বিধান বিবেচনা করা হয়। একজনের অবস্থা অন্যজনের ওপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযোজ্য হয় না। তবে নির্দিষ্ট ঘটনার ক্ষেত্রে বিধান নির্ধারণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট শরিয়তি শর্ত ও প্রমাণ যাচাই জরুরি।

শাস্তি কার্যকরের অধিকার কার?

জিনার অভিযোগে শাস্তি কার্যকর করা কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা সাধারণ মানুষের এখতিয়ার নয়। এ ধরনের শাস্তির বিষয়টি বিচারিক কর্তৃপক্ষের আওতাভুক্ত। অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে হেনস্তা করা, আক্রমণ করা কিংবা নিজের উদ্যোগে শাস্তি দেওয়ার কোনো বৈধতা নেই।

ইসলামে মিথ্যা অপবাদ থেকেও কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। তাই জিনার মতো গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ, ন্যায়বিচার ও যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ট্যাগ
বিবাহিত ও অবিবাহিত ব্যক্তি জিনায় জড়ালে ইসলামে কী শাস্তির বিধান
মন্তব্য করুন
Front line Bangladesh
অনলাইন সংস্করণ • 22 Oct, 2026 • 06:41 PM
বিজ্ঞাপন (Compact)