আজকের তারিখঃ 27 অক্টোবর, 2026 সময়ঃ 4:49
লগইন
9+
অনলাইন সংস্করণ 2 মিনিটে পড়ুন ARTICLE

জমজমের পানি দিয়ে অজু-গোসল করা যাবে কি জানুন ইসলামী বিধান

Front line Bangladesh 31 Aug, 2026 • 04:03 PM
ছবির ক্যাপশন: জমজমের পানি দিয়ে অজু-গোসল করা যাবে কি জানুন ইসলামী বিধান

মক্কার মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে অবস্থিত জমজমের পানি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত বরকতময় ও পবিত্র। হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের পাশাপাশি বিশ্বের সব মুসলমানের জন্য জমজমের পানি পান করা মুস্তাহাব।

নবীজি হজরত মুহাম্মদ (সা.) নিজেও জমজমের পানি পান করেছেন। হজরত আবু জর (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জমজমের পানি বরকতময়, স্বাদ অন্বেষণকারীর খাদ্য।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৪৭৩)

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজের সঙ্গে পাত্র ও মশকে করে জমজমের পানি বহন করতেন। তিনি অসুস্থদের ওপর তা ছিটিয়ে দিতেন এবং তাদের পান করাতেন। (সুনানে তিরমিজি)

জমজমের পানি পান করার ক্ষেত্রে কিবলামুখী হওয়া, বিসমিল্লাহ বলা, তিন শ্বাসে পান করা, পরিতৃপ্ত হয়ে পান করা এবং শেষে আলহামদুলিল্লাহ বলা সুন্নত। এ সময় দোয়া করাও গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচিত হয়।

জমজমের পানি দিয়ে অজু ও গোসল করা যাবে?

ইসলামী বিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি আগে থেকেই অজু অবস্থায় থাকলে এবং পবিত্র থাকলে শুধু বরকত লাভের নিয়তে জমজমের পানি দিয়ে নতুন করে অজু বা গোসল করা জায়েজ। পবিত্র কোনো কাপড় জমজমের পানিতে ভেজানোও জায়েজ।

তবে যার অজু নেই, তার জন্য অন্য পানি থাকা সত্ত্বেও জমজমের পানি দিয়ে অজু করা মাকরুহ। একইভাবে অপবিত্রতা থেকে পবিত্র হওয়ার জন্য ফরজ গোসলের ক্ষেত্রেও জমজমের পানি ব্যবহার করা মাকরুহ।

অন্য কোনো পানি না পাওয়া গেলে জমজমের পানি দিয়ে অজু করা যাবে। তবে এমন পরিস্থিতিতেও অপবিত্রতা দূর করার জন্য জমজমের পানি দিয়ে গোসল করা মাকরুহ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থাৎ, জমজমের পানি অত্যন্ত বরকতময় হওয়ায় এর আদব ও মর্যাদা রক্ষা করা জরুরি। বরকত লাভের উদ্দেশ্যে মুখ, মাথা ও শরীরে জমজমের পানি ঢালা যেতে পারে। তবে শরীর থেকে অপবিত্রতা বা নাপাকি দূর করার জন্য জমজমের পানি ব্যবহার না করাই উচিত।

সূত্র: ফতোয়ায়ে শামী

ট্যাগ
জমজমের পানি দিয়ে অজু-গোসল করা যাবে কি জানুন ইসলামী বিধান
মন্তব্য করুন
Front line Bangladesh
অনলাইন সংস্করণ • 31 Aug, 2026 • 04:03 PM
বিজ্ঞাপন (Compact)