গোলাম পরওয়ার বলেন, জ্বালানি তেলের দাম একলাফে লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর ফলে সাধারণ মানুষের ওপর নতুন করে ব্যয়ের চাপ তৈরি হবে। তার দাবি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য ইতোমধ্যে নষ্ট হয়েছে।
তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধু যানবাহন ব্যবহারকারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার ফলে কৃষি উৎপাদন, পণ্য পরিবহন, কলকারখানা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচও বাড়তে পারে। এর প্রভাব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামেও পড়তে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, সরকারের উচিত জনগণের ক্রয়ক্ষমতা, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির আয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া। তার ভাষ্য, জ্বালানি খাতে ব্যয় সংকোচন, অপচয় ও অনিয়ম বন্ধ এবং ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, বাজারে পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়ানো এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের অনিয়ম বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে সরকারি সংস্থার আর্থিক চাপ কমানোর চেষ্টা করলে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় পড়তে পারে বলে তিনি দাবি করেন।
প্রসঙ্গত, সরকার ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। নতুন দামে ডিজেল ১৩৫, কেরোসিন ১৫৫, পেট্রোল ১৬০ এবং অকটেন ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।