যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৪টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তির পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও নথি জনসম্মুখে প্রকাশের দাবিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এমএমজি সারওয়ার পায়েল এ নোটিশ পাঠান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব, অর্থ সচিব এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে চুক্তির শর্ত, মূল্য, ক্রয়প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য জনসাধারণের জন্য প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে ১৪টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
এত বিপুল জনসাধারণের অর্থ ব্যয়ের স্বচ্ছতা, আর্থিক যৌক্তিকতা ও জনস্বার্থ নিয়ে নোটিশে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, মুদ্রাস্ফীতি এবং এয়ারবাসের বিকল্প প্রস্তাবের বিষয়টিও এতে উল্লেখ করা হয়।
নোটিশে আরও জানতে চাওয়া হয়েছে, বোয়িং বিমান কেনার ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে কোনো আর্থিক দায় তৈরি হয়েছে কি না এবং ভবিষ্যতে নতুন কোনো বিমান কেনা বা লিজ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কি না।
এ ছাড়া পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন ফিজিবিলিটি স্টাডি এবং আর্থিক ও জনস্বার্থ মূল্যায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন কোনো চুক্তি বা প্রতিশ্রুতি থেকে বিরত থাকার দাবি জানানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, যেকোনো ক্রয়প্রক্রিয়া পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট, ২০০৬ অনুসরণ করে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলকভাবে সম্পন্ন করতে হবে।
নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে গ্রহণযোগ্য ও যুক্তিপূর্ণ জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় সংবিধানের ৪৪ ও ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনসাধারণের অর্থ সুরক্ষায় হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।