ডেস্ক রিপোর্ট:
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণে বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি আরও বড় হচ্ছে। জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সের জন্য অতিরিক্ত ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের কথা রয়েছে।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ২টা ১৫ মিনিটে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর বোয়িংয়ের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ড. ব্রেন্ডন নেলসন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বলেও জানা গেছে।
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ওই চুক্তিতে ছিল আটটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স। বোয়িংয়ের হিসাবে, এটি ছিল বিমানের সবচেয়ে বড় উড়োজাহাজ অর্ডার।
নতুন ১১টি উড়োজাহাজের চুক্তি সম্পন্ন হলে বোয়িংয়ের কাছে বিমানের মোট অর্ডারের সংখ্যা দাঁড়াবে ২৫টি।
তবে নতুন চুক্তির আওতায় কোন মডেলের উড়োজাহাজ কেনা হবে, মোট মূল্য কত হবে, অর্থায়নের কাঠামো কী এবং উড়োজাহাজগুলো কবে নাগাদ বিমানের বহরে যুক্ত হবে—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এদিকে, এ বছরের এপ্রিলের ১৪ উড়োজাহাজের চুক্তির আনুমানিক তালিকামূল্য ছিল ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। ওই চুক্তির আওতায় প্রথম উড়োজাহাজ ২০৩১ সালের নভেম্বরে সরবরাহের কথা রয়েছে এবং বাকিগুলো ২০৩৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।