গত বুধবার (১৯ আগস্ট) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশি নিহত হন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুর্ঘটনার পর থেকেই কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানোর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করে।
শনিবার সকালে সাতক্ষীরার এস এম আলীমুজ্জামানের মরদেহ ঘোজাডাঙ্গা-ভোমরা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়। পরে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ ছাড়া কুষ্টিয়ার দেবাশীষ দত্ত এবং একই পরিবারের তিন সদস্য আফসানা শারমিন, শর্ণশিষ দত্ত ও মো. আকরাম আলীর মরদেহ পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে শনিবার বিকেলে দেশে আনা হয়। একই সীমান্ত দিয়ে ঢাকার আমিনবাজারের নিহত বাবু আহমেদের মরদেহও দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন জানিয়েছে, মরদেহ সংরক্ষণ, পরিবহন ও দেশে ফেরত পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়ায় নিহতদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সাতক্ষীরার নিহত রেপতি সরকারের মরদেহ পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী শুক্রবার রাতে কলকাতায় সৎকার করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ উপহাইকমিশন আর্থিকসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিয়েছে।
কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।