স্পোর্টস ডেস্ক
সান্ত্বনার জয়টাও পাওয়া হলো না বাংলাদেশের। আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে শূন্য হাতে ফিরছে টাইগাররা। আফগানিস্তান ১২০ রান পেরোনোর আগেই ফাইনালে ওঠার আশা শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের। শেষ পর্যন্ত ১৬১ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৮৭ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে আফগানরা। ফাইনালে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে তারা।
দুবাইয়ের শারজাহ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের তাওহীদ হৃদয়। তবে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সেই সিদ্ধান্ত কাজে আসেনি। পারভেজ হোসেন ইমনের ৭০ রানের ইনিংসে ভর করে ৪২তম ওভারে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ১৬০ রান।
১৬১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে কিছুটা চাপে পড়ে আফগানিস্তান। ৩৯ রানে ২ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন তাসকিন আহমেদ। তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে রহমানউল্লাহ গুরবাজকে ৬ রানে বোল্ড করেন তিনি। সপ্তম ওভারে সেদিকউল্লাহ অটলকে ৪ রানে বোল্ড করে দ্বিতীয় উইকেটটি তুলে নেন এই পেসার।
তবে তৃতীয় উইকেটে ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহর ৫৬ রানের জুটি বাংলাদেশের আশায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ইব্রাহিমকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মুস্তাফিজুর রহমান। তার বলে মিডউইকেটে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
এরপর হাশমতউল্লাহ শহীদিকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন রহমত শাহ। ৬৬ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৪তম অর্ধশতক পূর্ণ করা রহমত ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন। অন্যদিকে শহীদি অপরাজিত ছিলেন ৩৬ রানে। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আফগানিস্তান।
বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ২টি এবং মুস্তাফিজুর রহমান ১টি উইকেট নেন।
এর আগে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র উজ্জ্বল ছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন। চোটে পড়া নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসের বদলি হিসেবে দলে সুযোগ পাওয়া এই ব্যাটার ৯৬ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় করেন সর্বোচ্চ ৭০ রান।
তাকে সঙ্গ দিয়ে সাইফ হাসান করেন ৮২ বলে ৪১ রান। পঞ্চম উইকেটে এই দুজনের ৯৩ রানের জুটিই বাংলাদেশের ইনিংসে স্বস্তি এনে দেয়। এ ছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ১৫ রান। বাকি ব্যাটারদের কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। চারজন ব্যাটার ফেরেন শূন্য রানে।
আফগানিস্তানের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল রশিদ খান, শিকার করেন ৪ উইকেট। ইয়ামিন আহমদজাই ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই নেন ২টি করে উইকেট।