বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। তবে দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বৈঠকটি শেষ হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও আলোচনার বিস্তারিত প্রকাশ করেনি।

আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব শুরুর প্রায় দেড় মাস পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এটিই ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর প্রথম সাক্ষাৎ।

ঢাকা ও নয়াদিল্লির সম্পর্কে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। বিশেষ করে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে তার সরাসরি মতবিনিময়কে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।

পরিচয়পত্র পেশের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথম বৈঠক

গত ২৫ জুন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

এর প্রায় এক মাস পর গত ২৯ জুলাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন তিনি। এরপর সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ হলো ভারতীয় এই কূটনীতিকের।

প্রথমবার রাজনীতিবিদকে হাইকমিশনার করল ভারত

গত এপ্রিল মাসে ভারত সরকার ঢাকায় তাদের ১৬তম হাইকমিশনার হিসেবে সাবেক রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে নিয়োগ দেয়। দুই প্রতিবেশী দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাজনীতিবিদকে ভারত হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে।

নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য গত ৫ জুন পশ্চিমবঙ্গ থেকে স্থলসীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন দীনেশ ত্রিবেদী।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আজকের বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েন কিংবা আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না—সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেয়নি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।