তবে তুরস্ক দাবি করেছে, মক্কা চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে বা উদ্দেশ্য করে করা হয়নি। এটি মূলত এই তিন দেশের যৌথ নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করবে এবং শত্রুদের হামলা থেকে বিরত রাখবে।
এ ব্যাপারে তুরস্কের প্রেসিডেন্সির কমিউনিকেশন্স ডিরেক্টর বুরহানেত্তিন দুরান এক্সে লিখেছেন, “মক্কা চুক্তিটি নির্দিষ্ট কোনো দেশকে উদ্দেশ্য করে করা হয়নি; এর মূল লক্ষ্য হলো যৌথ নিরাপত্তা ও সম্মিলিত প্রতিরোধব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা।”
তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তি সৌদিকে নিরাপত্তা দেবে না : ইরান
মক্কা চুক্তি স্বাক্ষরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের এক আইনপ্রণেতা বলেছেন, এই চুক্তি সৌদি আরবকে নিরাপত্তা দেবে না। যদি তারা নিরাপত্তা চায় তাহলে তাদের নীতি পরিবর্তন করতে হবে। ইব্রাহিম রেজাই নামে এ আইনপ্রণেতা এক্সে লিখেছেন, “সৌদিদের অবশ্যই জানা উচিত তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে একটি কাগুজে চুক্তি তাদের নিরাপত্তা দেবে না। যেমনটা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বছরের পর বছর একপাক্ষিক সম্পর্ক তাদের কোনো নিরাপত্তা এনে দেয়নি।”
“আপনারা (সৌদি আরব) নিজেদের নীতিতে সংস্কার আনুন যেন অন্যদের কাছে নিরাপত্তা ভিক্ষা না চাইতে হয়।”
ইব্রাহিম রেজাই ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা এবং পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের সদস্য।
সূত্র: আলজাজিরা