চার দিনের সরকারি সফরে আজ রোববার রাতে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে টোকিওর উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা জাপান যাবেন বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে।
সফরের দ্বিতীয় দিন ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে একাধিক সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষরের পাশাপাশি যৌথ বিবৃতি প্রকাশের কথা রয়েছে।
সফরকালে ‘জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরাম’-এ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় জাপানের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়ে মতবিনিময় করবেন তিনি। এ ছাড়া চিবার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং নাগোয়ার টয়োটা কারখানা পরিদর্শনের সম্ভাবনাও রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করাই এ সফরের অন্যতম লক্ষ্য। বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষ মানবসম্পদ রপ্তানির মতো খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো আলোচনায় অগ্রাধিকার পাবে। পাশাপাশি নতুন জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণেও গুরুত্ব দেবে বাংলাদেশ।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে যাচ্ছেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
এ ছাড়া বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলাম খান শাকিলসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মিডিয়া টিমের সদস্য এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা সফরসঙ্গী হচ্ছেন।
চার দিনের সফর শেষে আগামী ২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।