হলিউড অভিনেত্রী হেইডেন প্যানেটিয়ারের আকস্মিক মৃত্যুর প্রায় এক মাস পর এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন তার মুখপাত্র। তিনি জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।

গত ১৬ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনার গ্রিনভিলে নিজ বাসভবন থেকে ৩৬ বছর বয়সে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ‘নাশভিল’খ্যাত এই অভিনেত্রীকে।

তার মৃত্যুর তদন্ত প্রসঙ্গে গ্রিনভিল কাউন্টি করোনারের কার্যালয় জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলেও পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পেতে তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তদন্ত প্রক্রিয়া এখনো সক্রিয় ও চলমান রয়েছে।

সম্প্রতি এক বিবৃতিতে হেইডেনের মুখপাত্র বলেন, তদন্ত এখনো চলছে। কিছু গণমাধ্যমে অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে তথ্য প্রকাশ করায় নানা বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা সবাই নিশ্চিত তথ্য জানতে চাই। তবে তদন্ত প্রক্রিয়াকে সময় দিতে হবে। আমরা যেসব উত্তর খুঁজছি, সেগুলো একদিন অবশ্যই পাওয়া যাবে।”

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম People-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তে যুক্ত হয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (ডিইএ)। মৃত্যুর নয় দিন পর আদালতের অনুমতি নিয়ে হেইডেনের লস অ্যাঞ্জেলেসের বাড়িতে অবৈধ মাদকের প্রমাণ খুঁজতে তল্লাশি চালানো হয়।

মৃত্যুর সময় অভিনেত্রীর সঙ্গে তার সাবেক প্রেমিক ব্রায়ান হিকরসন ও তার ভাই ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, হিকরসনের আইনজীবী তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন। ফলে অভিনেত্রীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে এখন টক্সিকোলজি রিপোর্ট ও তদন্তের পূর্ণাঙ্গ ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা।

সূত্র: People Magazine