দাপ্তরিক নথি ও যোগাযোগে সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহারের প্রথা বন্ধের নির্দেশ
সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’সহ কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিপত্রে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের সময় তাদের পদবির আগে প্রচলিত সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না।
একই নির্দেশনা সরকারের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর অধীনস্থ দপ্তরের দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথি প্রেরণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
পরিপত্রে বিষয়টিকে ‘অতীব গুরুত্বপূর্ণ’ উল্লেখ করে সিদ্ধান্তটি অনতিবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লিখিতভাবে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সব সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তর ও কর্মকর্তাদের কাছে পরিপত্রের কপি পাঠানো হয়েছে।
সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে রাষ্ট্রীয় দাপ্তরিক নথি ও যোগাযোগে পদবির আগে প্রচলিত সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহারের দীর্ঘদিনের প্রথায় পরিবর্তন আসছে।