মিউজিক ও গান ইসলামে জায়েজ নাকি হারাম—এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান আলোচনার মধ্যে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে সংগীত ও দীন প্রচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের বক্তব্য।
সম্প্রতি শিল্পী আতাউল্লা সালমান এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি আর কখনো মিউজিকের মাধ্যমে গান করবেন না। তার এই ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিউজিকের ইসলামী বিধান ও এর বৈধতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন ইলিয়াস হাসান, যিনি নিজেকে কলরবের উপস্থাপনা পরিচালক, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং স্টুডিও ভোকলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
নিজের পোস্টে ইলিয়াস হাসান দাবি করেন, কোনো আলেম, পীর, হুজুর কিংবা নির্বাচনি প্রচারণার ক্ষেত্রেও মিউজিক ব্যবহার করলে তা জায়েজ হবে না। তিনি বলেন, সময়ের পরিবর্তন বা মানুষের ব্যাপক চাহিদার কারণে কোনো হারাম বিষয় হালাল হয়ে যেতে পারে না।
তিনি উদাহরণ হিসেবে মদের কথা উল্লেখ করে বলেন, কোনো একটি বিষয়ের প্রতি মানুষের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হলেও শুধু সেই চাহিদার কারণে সেটি বৈধ হয়ে যায় না।
দীন প্রচারের ক্ষেত্রেও হারাম পন্থা অবলম্বনের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেন ইলিয়াস হাসান। তার ভাষ্য, দীন প্রচারের জন্য এমন কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিত নয়, যা শরিয়তের বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
ইলিয়াস হাসানের এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিউজিকের ধর্মীয় বৈধতা, দীন প্রচারে সংগীতের ব্যবহার এবং সময়ের সঙ্গে ইসলামী বিধানের প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ ভিন্ন ভিন্ন মত প্রকাশ করছেন।